অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ফখরুলের আহ্বান

শীর্ষরিপো্র্ট ডটকম ।  ২৭  অক্টোবর  ২০১৬

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ফখরুলের আহ্বান

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ফখরুলের আহ্বান

নির্বাচন ইস্যুতে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের অবস্থানের সমালোচনা করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে জন্য আলোচনার বিকল্প নেই।

সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেই ‘সঠিক পথ’বের করতে হবে বলে মনে করেন বিএনপির এই নেতা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি এই পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি যদি পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে কোনো কনফিউশন তৈরি করে, তাহলে তারা নিজেরাই নিজেদের ভুলের ফাঁদে পড়ে যাবে।’

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি কী, বিএনপির সাথে আলোচনা কেন করতে হবে। বিএনপি কী আলোচনা বা সংলাপের পথ খোলা রেখেছে? তাদের পথ তারাতো বন্ধ করে দিয়েছে।’

ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। তাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেই একটি সঠিক পথ বের করতে হবে।’

আলোচনার মাধ্যমেই একটি ‘সমঝোতার পথ’ বের না করলে নির্বাচন কখনো অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।

“বাংলাদেশে যদি জনগণের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করতে হয়, তাহলে অবশ্যই আলাপ-আলোচনার মধ্যে দিয়ে একটি সঠিক পথ বের করতে হবে। যে পথের মধ্যে দিয়ে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং কোনো দলীয় প্রভাব ছাড়াই একটি নির্বাচন করা সম্ভব হবে”, বলেন মির্জা ফখরুল।

সিজার তাবেলা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকারের যে দোদুল্যমনতা স্ববিরোধিতা, আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর মধ্যে স্ববিরোধিতা; এর মাধ্যমেই প্রমাণ করে বাংলাদেশে আইনের শাসন নেই। সরকার নিজেরাই সন্ত্রাস সৃষ্টি করে এবং সেই সন্ত্রাসের মধ্যদিয়ে  বিরোধীদলকে দমন করতে চায়।’

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যালবার্ট পি কস্তা, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ম মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Related posts